মিষ্টিকুমড়া দিয়ে পুঁই শাক
উপকরনঃ
- পুঁই শাক - ২০০ গ্রাম
- মিষ্টিকুমড়া (কিউব করে কাটা)- ১ কাপ
- চিংড়ি (মাঝারি আকারের)- ৭- ৮ টা
- রসুনকুচি - ১/২ টেবিল চামচ
- পেঁয়াজকুচি - ২ টেবিল চামচ
- কাঁচা মরিচ(মাঝখানে চিরে নিন)- ৪-৫ টা
- আস্ত জিরা - ১/৪ চা চামচ
- হলুদ গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
- লবন - ১ চা চামচ বা সাদ্মত
- চিনি - ১/২ চা চামচ
- তেল - ২ টেবিল চামচ
প্রণালীঃ
- পুঁই শাক ধুয়ে কুচি করে নিন।
- প্যানে তেলে গরম করে জিরার ফোড়ন দিন। তারপর রসুনকুচি ও পেঁয়াজকুচি দিয়ে নরম হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।
- এবার চিংড়ি ও মিষ্টিকুমড়া দিয়ে লবন ও হলুদ গুঁড়া ছড়িয়ে দিন। মাঝারি আঁচে ৫ মিনিট মত ভাজুন।
- তারপর পুঁই শাককুচি ও কাঁচামরিচ দিয়ে নেড়ে দিন।
- প্যানে ঢাকনা দিয়ে মিষ্টিকুমড়া সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।
- ঢাকনা তুলে চিনি ছড়িয়ে দিয়ে কয়েক সেকেন্ড পর চুলা বন্ধ করে দিন।
- গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন পুঁই শাক মিষ্টিকুমড়ার তরকারি।
চিচিঙ্গা ভাজি
উপকরনঃ
- চিচিঙ্গা - ২ টা
- ডিম- ২ টা (ফেটানো)
- পেঁয়াজকুচি - ১ টা মাঝারি আকারের
- কাঁচামরিচ - ৫-৬ টা
- হলুদ গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
- লবন - ৩/৪ চা চামচ বা স্বাদমত
- চিচিঙ্গা ধুয়ে ছিলে পাতলা করে কেটে নিন (বিচি ফেলে দিন)।
- কড়াই এ তেল গরম করে পেঁয়াজকুচি দিন। পেঁয়াজ একটু নরম হয়ে আসলে চিচিঙ্গা দিয়ে কাঁচামরিচ, হলুদ ও লবন দিয়ে ভালকরে নেড়ে দিন। কিছুক্ষন পর ঢাকনা দিয়ে মাঝারি আঁচে চিচিঙ্গা সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।
- তারপর ঢাকনা খুলে ফেটানো ডিম দিয়ে ভাল করে নেড়ে ২-৩ মিনিট পর চুলা বন্ধ করে দিন।
- সাদা ভাত বা রুটির সাথে পরিবেশন করুন গরম গরম ভাজি।
বরবটি ভর্তা
উপকরণঃ
- বরবটি – ৩০০ গ্রাম
- পেঁয়াজকুচি – ১/২ কাপ
- রসুনকুচি – ৩ টি কোয়া
- কাঁচা মরিচ – ৪-৫টি
- হলুদ গুঁড়া – ১/২ চা চামচ
- জিরা গুঁড়া – ১/২ চা চামচ
- লেবুর রস -১ টেবিল চামচ
- লবন – ১/২ চা চামচ অথবা স্বাদ মতো
- সরিষার তেল – ২ টেবিল চামচ
- ধনেপাতাকুচি – ২ টেবিল চামচ (ঐচ্ছিক)
পদ্ধতিঃ
- বরবটি ধুয়ে ১ ইঞ্চি আকারে কেটে এক পাশে রাখুন।
- একটি প্যান তেল গরম করুন। গরম তেলে পেঁয়াজকুচি এবং রসুনকুচি দিয়ে প্রায় ১ মিনিট ভাজুন।
- তারপর বরবটি, কাঁচা মরিচ, হলুদ গুঁড়া, জিরা গুঁড়া, লেবুর রস ও লবণ দিন এবং উপকরণগুলো নরম হয়ে আসা পর্যন্ত মাঝারি তাপে ভাজতে থাকুন ( প্রায় ১০-১২ মিনিটের কাছাকাছি )।
- তারপর ধনে পাতাকুচি দিয়ে চুলা বন্ধ করে দিন।
- রান্না বরবটি ঠাণ্ডা হলে শিলনোড়া বা চপারের সাহায্যে এটি ভর্তা করে নিন।
- বরবটি ভর্তা গরম সাদা ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।
ডাল-আলুর চচ্চড়ি
- মসুর ডাল -১ /২ কাপ
- আলু - মাঝারি আকারের ২টি ( প্রায় ৪০০ গ্রাম )
- পেঁয়াজকুচি - ২ টেবিল চামচ
- রসুনকুচি – ৩ টি কোয়া
- আদাকুচি - ১ টেবিল চামচ
- আস্ত লাল মরিচ – ২টি
- তেজ পাতা – ১টি
- মেথি - ১/৪ চা চামচ (নিচের নোট দেখুন )
- মৌরি – ১/৪ চা চামচ (নিচে নোট দেখুন )
- কালো জিরা – ১/৪ চা চামচ (নিচে নোট দেখুন )
- হলুদ গুঁড়া – ১/৪ চা চামচ
- জিরা গুঁড়া -১/২ চা চামচ
- লাল মরিচ গুঁড়া – ১/২ চা চামচ
- লবন – ১ চা চামচ অথবা স্বাদ মতো
- তেল – ৩ টেবিল চামচ
- ধনে পাতাকুচি – ১ টেবিল চামচ (ঐচ্ছিক)
পদ্ধতিঃ
- আলুর খোসা ছাড়িয়ে ধুয়ে নিন এবং তারপর লম্বা করে চিকন করে কেটে এক পাশে রাখুন।
- ডাল ধুয়ে নিন এবং ৪-৫ মিনিটের জন্য তা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন, তারপর ডাল পানি থেকে ঝরিয়ে রাখুন।
- একটি সস প্যানে তেল গরম করুন। গরম তেলে মেথি , মৌরি , কালো জিরা , লাল মরিচ এবং তেজ পাতা যোগ করে কয়েক সেকেন্ড নাড়ুন। তারপর রসুনকুচি , আদাকুচি এবং পেঁয়াজকুচি যোগ করে পেঁয়াজ নরম ও হালকা বাদামী হয়ে আসা পর্যন্ত ভাজুন।
- এখন প্যানে ধুয়ে রাখা ডাল, হলুদ গুঁড়া, লাল মরিচ গুঁড়া, জিরা গুঁড়া দিন এবং ১ মিনিটের মতো ভাজুন। তারপর মিশ্রণটিতে ২-৩ কাপ মত পানি দিন।
- মাঝারি তাপে ডাল রান্না করুন যতক্ষন পর্যন্ত ডাল ৬০% মত রান্না হয়।
- তারপর কাটা আলু ডালের সাথে যোগ করে নেড়ে দিন এবং সস প্যান ঢেকে দিন। আলু নরম হয়ে আসা পর্যন্ত মিশ্রণটি সিদ্ধ করুন (প্রায় ১০ মিনিটের মতো)।
- তারপর ডালের মিশ্রণটির উপর ধনে পাতাকুচি ছড়িয়ে দিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে নিন।
- রুটি, পরোটা বা লুচির সাথে গরম গরম ডাল-আলুর চচ্চড়ি পরিবেশন করুন।
ধন্যবাদান্তে:
মাকসুদা হোসেন
(Portland, Oregon, USA)
মাকসুদা হোসেন
(Portland, Oregon, USA)
লাউ এর খোসা ভর্তা
উপকরনঃ
- লাউ এর খোসা- আনুমানিক ১ ও ১/২ পাউন্ড লাউ থেকে ছিলে নিন
- কাঁচামরিচ - ৩ টা
- পেঁয়াজকুচি - ২ টেবিল চামচ
- হলুদ গুঁড়া- ১ চিমটি
- জিরা গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
- লবন - ১/২ চা চামচ বা স্বাদমত
- ডিম- ১ টা (আপনি চাইলে ডিম ব্যবহার নাও করতে পারেন)
- ধনেপাতা কুচি- ১ টেবিল চামচ
- তেল- ১/২ টেবিল চামচ
পদ্ধতিঃ
- একটি প্যানে অল্প পানি নিয়ে তাতে লাউ এর খোসা, কাঁচামরিচ ও লবন দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। খোসা নরম হয়ে আসলে চুলা বন্ধ করে ঠান্ডা হতে রাখুন।
- ঠান্ডা হলে সিদ্ধ খোসা ও কাঁচামরিচ শিল-পাটায় নিয়ে পিষে নিন। আপনি চাইলে চপারে দিয়েও খোসা পেস্ট করে নিতে পারেন।
- এবার প্যানে তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজকুচি দিন এবং হাল্কা নরম হয়ে আসা পর্যন্ত ভাজুন। তারপর বেটে রাখা খোসা তাতে দিয়ে, সামান্য হলুদ গুঁড়া, জিরা গুঁড়া ও লবন দিন এবং ভালভাবে নেড়ে দিন।
- মিশ্রণটি ২ মিনিটমত ভেজে ডিম দিন এবং ক্রমাগত নাড়তে থাকুন যেন ডিম ভালভাবে মিশ্রণটির সাথে মিশে যায়।
- মিশ্রনটি থেকে পানি শুকিয়ে আসা পর্যন্ত ভাজুন। তারপর ধনেপাতাকুচি উপরে ছড়িয়ে দিয়ে চুলা বন্ধ করে দিন।
- লাউ এর খোসা ভর্তা গরম ভাতে সাথে পরিবেশন করুন।
টমেটো ভর্তা
উপকরণঃ
- টমেটো - ২ টা মাঝারি আকারের
- কাঁচামরিচ - ৩-৪ টা
- পেঁয়াজকুচি- ২ টেবিলচামচ
- লবন - ১/২ চা চামচ বা স্বাদমত
- সরিষার তেল- ১ চা চামচ + ১ চা চামচ
- ধনিয়াপাতা কুচি - ১ টেবিল চামচ (ইচ্ছা)
পদ্ধতিঃ
- টমেটোর গায়ে সামান্য তেল মাখিয়ে একটি প্যানে নিয়ে মাঝারি আঁচে টেলে নিন (মাঝে মাঝে টমেটো নেড়ে দিন)। আপনি চাইলে প্যান ঢেকে দিয়ে টমেটো পুড়াতে পারেন।
- টমেটো নরম ও পোড়া পোড়া হয়ে আসলে চুলা বন্ধ করে ঠান্ডা হতে রাখুন।
- প্যানে কাঁচামরিচ নিয়ে মাঝারি আঁচে নরম ও হাল্কা পোড়া পোড়া হয়ে আসা পর্যন্ত টেলে নিন।
- এবার টমেটোর চামড়া ছাড়িয়ে একটি বাটিতে নিন। তাতে মরিচ পোড়া, পেঁয়াজকুচি, ধনিয়াপাতাকুচি, লবন ও সরিষার তেল দিয়ে একটি চামচ বা হাত দিয়ে ভাল করে ভর্তা করে নিন। আপনি চাইলে চপারে দিয়েও ভর্তা করতে পারেন।
- টমেটো ভর্তা গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।
ফুলকপি ভাজি
উপকরণঃ
- ফুলকপি (ছোট করে কাটা)- ২ কাপ
- কাল জিরা- ১/৪ চা চামচ
- আস্ত লাল মরিচ - ২ টা
- পেঁয়াজকুচি - ২ টেবিল চামচ
- রসুনকুচি- ১ চা চামচ
- আদাকুচি- ১ চা চামচ
- কাঁচামরিচকুচি - ১ টেবিল চামচ
- হলুদ গুঁড়া - ১/৪ চা চামচ
- জিরা গুঁড়া - ১/৪ চা চামচ
- লবন - ১/২ চা চামচ বা স্বাদমত
- টমেটো সস- ১ ও ১/২ টেবিল চামচ
- সয়া সস- ১ টেবিল চামচ
- ধনিয়া পাতাকুচি- ১ টেবিল চামচ
- তেল - ৩ টেবিল চামচ
- প্যানে তেল গরম করে তাতে কাল জিরা ও আস্ত লাল মরিচ দিয়ে কয়েক সেকেন্ড ভাজুন। তারপর রসুনকুচি ও আদা কুচি দিয়ে আরও কয়েক সেকেন্ড ভেজে পেঁয়াজকুচি দিন এবং আধা মিনিট মত ভাজুন।
- এবার ফুলকপি, কাঁচামরিচকুচি, লবন, হলুদ গুঁড়া ও জিরা গুঁড়া দিয়ে সাবধানে নেড়ে দিন যেন সব কিছু ভালভাবে মিশে এবং ৫-৬ মিনিটমত ফুলকপি ভাজুন (মাঝে মাঝে নেড়ে দিন যেন পুড়ে না যায়)।
- ফুলকপি আধা সিদ্ধ হয়ে আসলে টমেটো সস ও সয়া সস দিয়ে নেড়ে দিন।
- তারপর প্যানে ঢাকনা দিয়ে ৩-৪ মিনিট মত বা ফুলকপি সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
- ফুলকপি সিদ্ধ হয়ে গেলে ধনিয়া পাতাকুচি উপরে ছড়িয়ে দিয়ে চুলা বন্ধ করে দিন।
- ফুলকপি ভাজি সাদা ভাত বা রুটি বা পরটার সাথে পরিবেশন করুন।
লাউ ভাজি
উপকরণঃ
- লাউ -১ টি ( আনুমানিক পৌনে ১ কেজি)
- পেঁয়াজ(কুঁচি)- ১ টি বড়
- হলুদের গুঁড়া- ১ চা চামচ
- কাঁচা মরিচ- ৭-৮ টি বা স্বাদ অনুযায়ী ( মাঝখান থেকে চিরে দিন)
- তেল- আনুমানিক ৬ টেবিল চামচ
- লবন- ১ চা চামচ বা স্বাদ অনুযায়ী
পদ্ধতিঃ
- লাউএর খোসা ফেলে ধুয়ে নিন। খুব চিকন এবং লম্বা করে কেটে নিন।
- প্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুঁচি দিয়ে নরম না হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।কাঁচা মরিচ দিয়ে কিছুক্ষন নেড়ে কুঁচি করে কাটা লাউ দিয়ে দিন। একটু নেড়ে হলুদের গুঁড়া এবং মরিচের গুঁড়া দিয়ে ভাল ভাবে নেড়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন।
- আনুমানিক ১০ মিনিট অথবা লাউ সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। মাঝে মাঝে নেড়ে দিন। ঢাকনা খুলে আরও ৩-৪ মিনিট ভেজে নামিয়ে ফেলুন।
- সাদা ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।
কাঁচা টমেটো ভাজি
উপকরণঃ
- কাঁচা টমেটো - ৪ টি মাঝারি সাইজের ( একটি টমেটোকে ৮ টুকরা করে কেটে নিন)
- কাঁচা মরিচ- ৫-৬ টি অথবা আপনার স্বাদ অনুযায়ী
- পেঁয়াজ কুঁচি - ১ টি মাঝারি
- হলুদের গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
- চিনি- ১ চা চামচ
- তেল- ৪ চা চামচ
- লবন- ১/২ চা চামচ অথবা আপনার স্বাদ অনুযায়ী
- টমেটো ধুয়ে কেটে নিন।
- প্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুঁচি দিয়ে নরম হওয়া পর্যন্ত নাড়ুন। এখন টমেটো, কাঁচা মরিচ, হলুদের গুঁড়া এবং লবন দিয়ে ভাল করে নেড়ে ধাকনা দিয়ে ধেকে দিন। মাঝারি আঁচে ৫ মিনিট এর মত অথবা টমেটো সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।
- এরপর চিনি দিয়ে আরও আনুমানিক ৩-৪ মিনিট ভেজে নামিয়ে ফেলুন।
- সাদা ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।
পটল ভাজি
উপকরনঃ
- পটল- ৮-১০ টি
- পেঁয়াজ কুচি- ১ কাপ
- কাঁচা মরিচ - ৪-৫ টি (মাঝখানে চিরে নিন)
- হলুদ গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
- তেল- ১/২ কাপ
- লবন- ১/২ চা চামচ
- পটলের খোসা চামচ বা ছুরি দিয়ে হাল্কাভাবে ছাড়িয়ে ধুয়ে নিন এবং দুই ভাগ করে চিরে নিন।
- এবার হলুদ ও লবন দিয়ে পটলগুলা মাখিয়ে ১০ মিনিট মত রাখুন।
- একটি পাত্রে তেল গরম করে তাতে পটলগুলো দিয়ে হাল্কা বাদামি করে ভেজে একটি আলাদা প্লেটে উঠিয়ে নিন।
- এবার তেলে পেঁয়াজ দিয়ে নরম না হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। তারপর কাঁচা মরিচ ও ভাজা পটলগুলো দিয়ে হাল্কা আঁচে ২ মিনিট মত ভাজুন।
- ভাজা হয়ে গেলে গরম গরম ভাত বা রুটির সাথে পরিবেশন করুন।
সবজি ভাজি
- কাটা আলু - ১ কাপ
- কাটা গাজর - ১ কাপ
- কাটা বরবটি - ১ কাপ
- ফুলকপি (বর্গাকারে কাটা ) - ১ কাপ
- কাটা পেয়াজ - ১ কাপ
- কাটা কাচামরিচ - ১ টেবিল চামচ বা স্বাদ অনুযায়ী
- ধনেপাতা (কাটা) -১ টেবিল চামচ (ঐচ্ছিক)
- হলুদ গুড়া - ১ চা চামচ
- লবন - ১ চা চামচ
- তেল - ১/২ কাপ
লাউ চিংড়ি
উপকরণঃ
- লাউ - ৫০০ গ্রাম
- চিংড়ি - ২০০ গ্রাম
- পেঁয়াজ বাটা - ৬ চা চামচ ( আপনি পেঁয়াজ বাটার পরিবর্তে ১/২ কাপ পেঁয়াজ কুঁচিও দিতে পারেন)
- রসুন বাটা- ২ চা চামচ
- জিরার গুঁড়া- ৩/৪ চা চামচ
- হলুদের গুঁড়া- ১ চা চামচ
- কাঁচা মরিচ বাটা- ১ চা চামচ অথবা আপনার স্বাদ অনুযায়ী ( মরিচ বাটার পরিবর্তে আপনি আস্ত কাঁচা মরিচ চিরেও দিতে পারেন)
- লবন - ১ চা চামচ অথবা আপনার স্বাদ অনুযায়ী
- তেল - ১/৪ কাপ
- ধনিয়া পাতা কুঁচি- ২ টেবিল চামচ (না হলেও চলবে)
পদ্ধতিঃ
- লাউএর খোসা ফেলে ধুয়ে আনুমানিক ১/২ ইঞ্চি পাতলা করে কেটে নিন। চিংড়ি পরিষ্কার করে ধুয়ে রাখুন।
- পাত্রে তেল দিয়ে মাঝারি আঁচে গরম করুন। তেলে সমস্ত গুঁড়া মশলা,বাটা মশলা এবং লবন দিয়ে ভাল করে কষিয়ে নিন। যখন মশলা থেকে তেল আলাদা হয়ে যাবে তখন লাউ এবং চিংড়ি মাছ দিয়ে ভাল করে নাড়ুন। ১০ মিনিট মাঝারি আঁচে রান্না করুন। মাঝে মাঝে নেড়ে দিন। এরপর দেড় কাপ উষ্ণ গরম পানি দিয়ে ফুটিয়ে তুলুন এবং ঢেকে দিন।
- অল্প আঁচে ১৫- ২০ মিনিট অথবা লাউ সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।
- এখন তরকারীর উপরে ধনিয়া পাতা কুঁচি ছিটিয়ে আরও মিনিট দুএক রান্না করে নামিয়ে ফেলুন। সাদা ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।
পালংশাক ভাজি
উপকরনঃ
- পালং শাক - ২৫০ গ্রাম
- পেঁয়াজ কুঁচি - ১/২ কাপ
- রসুন কোয়া - ৮-১০ টি (কুঁচি)
- কাঁচা মরিচ অথবা লাল মরিচ- ৩-৪ টি (মাঝখান থেকে চিরে দিন)
- তেল- ৩ টেবিল চামচ
- লবন - ১/২ চা চামচ অথবা আপনার স্বাদ অনুযায়ী
পদ্ধতিঃ
নিরামিষ (Niramish)
উপকরনঃ
- মিষ্টি কুমড়া - ২৫০ গ্রাম (মাঝারি টুকরা করে কাটা )
- বরবটি - ২ কাপ (১ ইঞ্চি লম্বা করে কাটা )
- ফুলকপি - ২ কাপ (মাঝারি টুকরা করে কাটা )
- আলু - ২ টি মাঝারি (মাঝারি টুকরা করে কাটা )
- গাজর - ২ টি (পাতলা চাক চাক করে কাটা )
- বেগুন - ২০০ গ্রাম (মাঝারি টুকরা করে কাটা )
- রসুনের কোয়া - ১০- ১২ টি কুঁচি করে কাটা
- কাঁচা মরিচ- ৬-৮ টি অথবা আপনার স্বাদ অনুযায়ী
- লাল মরিচের গুঁড়া - ১/২ চা চামচ অথবা আপনার স্বাদ অনুযায়ী
- জিরার গুঁড়া - ১ চা চামচ
- হলুদ গুঁড়া- ১ চা চামচ
- আদা বাটা- ২ টেবিল চামচ
- রসুন বাটা- ১ টেবিল চামচ
- তেজপাতা- ৩-৪ টি
- পাঁচফোড়ন- ১ চা চামচ
- তেল - আনুমানিক ২/৩ কাপ
- লবন - ২ চা চামচ অথবা আপনার স্বাদ অনুযায়ী
পদ্ধতিঃ
- প্রতিটি সবজি কেটে ধুয়ে আলাদা আলাদা করে রাখুন। একটির সঙ্গে আরেকটি মেশান যাবে না।
- প্যানে ২ টেবিল চামচ তেল গরম করুন। মিষ্টি কুমড়া তেলে দিয়ে ১ চিমটি হলুদ গুঁড়া এবং ১ চিমটি লবন দিয়ে ভেজে তুলুন। এভাবে প্রতিটি সবজি আলাদা আলাদা ভাবে ভেজে তুলুন।
- সবজি ভাজা হয়ে গেলে একটি বড় পাত্রে ৩ টেবিল চামচ তেল গরম করে তেজপাতা দিয়ে অল্প ভেজে বাকি সব মশলা, কাঁচা মরিচ ও লবন দিয়ে হালকা কষিয়ে নিন। ভেজে রাখা সব সবজি একে একে দিয়ে ভাল করে নাড়ুন যাতে মশলার সাথে সুন্দর ভাবে মিশে যায়। অল্প পানি দিয়ে ঢেকে দিন।সবজি সিদ্ধ হয়ে পানি কমে ঝোল ঘন হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।
- অন্য একটি পাত্রে ২ টেবিল চামচ তেল গরম করে পাঁচফোড়ন দিয়ে অল্প কিছুক্ষন নাড়ুন। এরপর রসুন কুঁচি দিয়ে বাদামি হওয়া পর্যন্ত নাড়তে থাকুন। এটি এখন সব্জির মধ্যে দিয়ে হালকা নেড়ে নামিয়ে ফেলুন।
- সাদা ভাত, রুটি অথবা লুচির সাথে পরিবেশন করুন।
আলু,করল্লা ও চিংড়ি মিশানো ভাজি
উপকরণঃ
- করল্লা - ২ টি মাঝারি সাইজের ( পাতলা কুঁচি করে কাটা )
- আলু- ১ টি মাঝারি সাইজের (কুঁচি করে কাটা )
- চিংড়ি - ১০-১২ টি মাঝারি সাইজের
- পেঁয়াজ কুঁচি - ১/৪ কাপ
- কাঁচা মরিচ - ৫-৬ টি অথবা আপনার স্বাদ অনুযায়ী ( মাঝখান থেকে চিরে দিন )
- হলুদের গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
- তেল - আনুমানিক ৬ টেবিল চামচ
- লবন- ১ চা চামচ অথবা আপনার স্বাদ অনুযায়ী
পদ্ধতিঃ
- চিংড়ি পরিষ্কার করে ধুয়ে রাখুন।
- করল্লা কুঁচিতে অল্প লবন মেখে ৫ মিনিট এর মত রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটা তিতা কম করতে সাহায্য করবে।
- প্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজ, মরিচ দিয়ে পেঁয়াজ নরম হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। এবার চিংড়ি দিয়ে আরও কিছুক্ষন ভাজুন।
- এবার আলু কুঁচি, করল্লা, হলুদ গুঁড়া, লবন দিয়ে ভাল করে নাড়ুন।
- মাঝারি আঁচে আলু এবং করল্লা সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।
- সাদা ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।
বাঁধাকপির নিরামিষ
৬-৮ জনের পরিবেশন উপযোগী
উপকরণ :
উপকরণ :
- পাতলা করে কুচি করা বাঁধাকপি -অর্ধেক (আনুমানিক ৬-৮ )
- মাঝারি আকারের আলু - ২ টা (ছিলে ছোট টুকরা করে নিন )
- হলুদের গুঁড়া - ১ চা চামচ + ১/৪ চা চামচ
- কাঁচা মরিচ- ৬-৭ টা বা আপনার পছন্দ অনুযায়ী (মাঝখানে চিরে নিন )
- আস্ত লাল মরিচ-৪-৫ টা
- জিরার গুঁড়া- ১ চা চামচ
- আদা বাটা - ১ চা চামচ
- তেজপাতা- ২ টা
- পাঁচ ফোঁড়ন - ১ চা চামচ
- চিনি - ১/২ চা চামচ (ইচ্ছা )
- তেল - আনুমানিক ৬-৮ টেবিল চামচ
- লবন- ১ চা চামচ + ১/৪ চা চামচ অথবা স্বাদ অনুযায়ী
পদ্ধতি :
- একটি পাত্রে ২ টেবিল চামচ তেল গরম করুন। আলুর টুকরাগুলো তেলে দিন এবং ১/৪ চা চামচ ও ১/৪ চা চামচ লবন দিয়ে হালকা বাদামী করে ভেজে নিযে পাত্র থেকে উঠিয়ে একপাশে রাখুন।
- এখন পাত্রে বাকি তেলটুকু গরম করুন। গরম তেলে পাঁচ ফোঁড়ন দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়ুন। তারপর তেজপাতা, আস্ত লাল মরিচ দিয়ে হালকা ভেজে নিন।
- এবার বাঁধাকপি কুচি এবং বাকি সব উপকরণ দিয়ে ভালভাবে মিশিয়ে নিন। মশলা বাঁধাকপির সাথে ভালভাবে মিশে গেলে ভাজা আলুর টুকরা গুলো দিযে নাড়ুন। পাত্রটি ঢেকে দিয়ে মাঝারি আঁচে ১৫/২০ মিনিট অথবা সিদ্ধ না হহওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।
- রান্না হয়ে গেলে পাত্র থেকে নামানুর আগে চিনি ছিটিয়ে দিন।
- গরম গরম সাদা ভাত, রুটি, পরোটা বা লুচির সাথে পরিবেশন করুন বাঁধাকপির নিরামিষ।
দই বেগুন
৪ জনের পরিবেশন উপযোগী
উপকরণ:
- বড় বেগুন -১ টি (আনুমানিক ৪০০-৫০০ গ্রাম )
- মরিচের গুঁড়া-১/৪ চা চামচ
- হলুদের গুঁড়া ১ চা চামচ(ভাজার জন্য)+১/৪ চা চামচ
- জিরার গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
- ধনিয়া গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
- আদা বাটা- ১/৪ চা চামচ
- টক দই-২০০ গ্রাম
- পেঁয়াজ বাটা-১ টেবিল চামচ
- এলাচ -২ টি
- কাঁচা মরিচ -৪ টি
- চিনি - ১ চা চামচ
- লবন-১/২ চা চামচ (ভাজার জন্য )+১/২ চা চামচ অথবা আপনার স্বাদ অনুযায়ী
- তেল - বেগুন ভাজার জন্য + ৩ টেবিল চামচ
- বেগুনটি গোল চাক চাক করে কেটে, ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন।
- বেগুনের টুকরা গুলোতে ১/২ চা চামচ লবন এবং ১ চা চামচ হলুদের গুঁড়া ভাল করে মাখিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিন।
- প্যান এ তেল গরম করুন এবং বেগুনের টুকরা গুলো উভয় পাশ বাদামি না হওয়া পর্যন্ত ভাল করে ভাজুন।
- টক দই ভাল করে ফেটিয়ে রাখুন। পাত্রে ৩ টেবিল চামচ তেল গরম করুন। এলাচ দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়ুন। এরপর ১/৪ চা চামচ হলুদের গুঁড়া, ১/২ চা চামচ লবন, মরিচের গুঁড়া, জিরার গুঁড়া, ধনিয়া গুঁড়া, আদা বাটা, পেঁয়াজ বাটা এবং কাঁচা মরিচ দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে সামান্য পানি দিন।
- পাত্রে তেল ভেসে উঠলে ফেটান টক দই, চিনি এবং ১/২ চা চামচ লবন দিয়ে অল্প আঁচে নাড়ুন।
- ভাজা বেগুনের টুকরো গুলো দিয়ে মশলার সাথে ভাল করে মিশিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন।
- অল্প আঁচে কয়েক মিনিট রান্না করুন। মাখা মাখা হলে নামিয়ে ফেলুন।
- পোলাও, বিরিয়ানি অথবা পরটার সাথে পরিবেশন করুন।
লাল শাক ভাজি
উপকরনঃ
- লাল শাক- ১ আঁটি
- পেঁয়াজ কুঁচি - ১ টি
- কাঁচা মরিচ - ৪-৫ টি অথবা আপনার স্বাদ অনুযায়ী (ফালি করা)
- রসুন কুঁচি - ৫-৬ কোয়া
- তেল - ৪-৫ টেবিল চামচ
- লবন - ১/২ চা চামচ অথবা আপনার স্বাদ অনুযায়ী
পদ্ধতি:
- শাক ভাল করে পরিষ্কার করে ধুয়ে,কেটে,কাঁচা মরিচ এবং লবন দিয়ে সিদ্ধ করে নিন ।
- কড়াইয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজ এবং রসুন হালকা বাদামি রঙ না হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। এখন শাক দিয়ে আরও ৩-৪ মিনিট অথবা পানি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত ভাজুন।
- সাদা ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।
বেগুন আলুতে কুমড়ো বড়ি
উপকরনঃ
|
|
- প্যানে ২ টেবিল চামচ তেল গরম করে কুমড়ো বড়ি বাদামি করে ভেজে তুলুন।
- পাত্রে ৪ টেবিল চামচ তেল গরম করুন। সমস্ত গুঁড়া এবং বাটা মশলা দিন। লবন দিয়ে ভাল করে নেড়ে মশলা কষিয়ে নিন। আনুমানিক ৩/৪ কাপ পানি দিন। পানি ফুটে উঠলে বেগুন,আলু এবং কুমড়ো বড়ি দিন। পানি শুকিয়ে গেলে ভাল করে কষিয়ে নিন। এরপর ২ কাপ এর মত পানি দিয়ে ঢেকে দিন।
- সবজি সিদ্ধ এবং ঝোল ঘন হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।
- সাদা ভাত অথবা রুটির সাথে পরিবেশন করুন।
আস্ত ফুলকপি ভুনা
উপকরনঃ
টিপসঃ
- আস্ত ফুলকপি - ১ টা মাঝারি আকারের
- টমেটোকুচি- ২ টা মাঝারি আকারের
- মটরশুঁটি - ১ কাপ
- পেঁয়াজকুচি- ২ কাপ
- হলুদ গুঁড়া - ৩/৪ চা চামচ
- জিরা গুঁড়া - ১ চা চামচ
- লাল মরিচ গুঁড়া - ১ চা চামচ বা পছন্দমত
- রসুন বাটা - ১ টেবিল চামচ
- তেল- ৫ টেবিল চামচ
- লবণ- ২ চা চামচ বা স্বাদমত
পদ্ধতিঃ
- ফুলকপি ধুয়ে নিচের পাতার অংশটুকু কেটে ফেলে দিন। এবার একটি বড় পাত্রে পানি সিদ্ধ করে তাতে ১ চা চামচ লবণ ও ফুলকপি দিয়ে ১০-১৫ মিনিটমত মাঝারি আঁচে সিদ্ধ করুন। সিদ্ধ হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঠান্ডা হতে রাখুন।
- একটি বড় প্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজ নরম করে ভাজুন। তারপর বাকি মসলাগুলো দিয়ে ২-৩ মিনিট কষান। মসলাতে অল্প পানি দিয়ে ফুটে উঠলে সিদ্ধ ফুলকপিটি দিয়ে দিন এবং সাবধানে ফুল্কপির গায়ে মসলা মাখিয়ে দিন। তারপর ঢাকনা দিয়ে কম আঁচে ১০ মিনিটমত রান্না করুন।(টিপস)
- ফুলকপি ভুনা খিচুড়ি বা পোলাও এর সাথে গরম গরম পরিবেশন করুন।
- ফুলকপি রান্না করার আগে তেলে হাল্কা বাদামী করে ভেজে নিতে পারেন।
- আপনি চাইলে ফুলকপি বেকও করতে পারেন। সিদ্ধ ফুল্কপিটি বেকিং ট্রেতে বসিয়ে কষানো মসলাগুলো গায়ে মাখিয়ে দিন। তারপর ৪০০ ডিগ্রী ফা. এ ২০-২৫ মিনিট বেক করুন।



















