মুরগির রান ফ্রাই
উপকরণ:
পদ্ধতি:
- মুরগির রান - ১০ টি
- পিঁয়াজ বাটা - ১ টেবিল চামচ
- হলুদ গুড়া - ১/২ টেবিল চামচ
- মরিচ গুড়া - ১ টেবিল চামচ
- আদা বাটা - ১ টেবিল চামচ
- রসুন বাটা - ১ টেবিল চামচ
- জিরা গুড়া - ১/২ টেবিল চামচ
- ধনে গুড়া - ১/২ টেবিল চামচ
- গরম মসলা গুড়া - ১/২ টেবিল চামচ
- টকদই - ২ টেবিল চামচ
- লেবুর রস - ১ টেবিল চামচ
- লবণ - স্বাদ অনুযায়ী
- তেল - ২ কাপ মত
পদ্ধতি:
- রানগুলো ভালভাবে পরিষ্কার করে ধুঁয়ে নিন এবং ছুরি দিয়ে লম্বালম্বি ভাবে কেটে নিন।
- রানের সাথে সব মসলা ভালভাবে মিশিয়ে ২ ঘন্টা রেখে দিন।
- পাত্রে তেল গরম করুন।অল্প আঁচে রানগুলো গাঢ় বাদামি করে ভাজুন।
- পাত্র থেকে নামিয়ে পেপার টিস্যুতে রেখে অতিরিক্ত তেল শোষণ করে নিন।
সাবুদানার বড়া
উপকরন:
- সাবুদানা- ১/২ কাপ
- আলু- ১ মাঝারি সাইজের
- কাঁচামরিচ কুচি - ২ টেবিল চামচ
- পেঁয়াজ কুচি- ১/২ কাপ
- ধনিয়াপাতা কুচি - ২ টেবিল চামচ(ইচ্ছা)
- আদা বাটা-১ চা চামচ
- রসূন বাটা- ১ চা চামচ
- চালের গুঁড়া- ৩ টেবিল চামচ
- জিরার গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
- গরম মশলার গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
- চাট মশলার গুঁড়া - ১/২ চা চামচ(ইচ্ছা)
- লেবুর রস- ২ চা চামচ
- লবণ- ২ চা চামচ বা স্বাদমত
- তেল- ডুবু তেলে ভাজার জন্য
- সাবুদানা পানিতে ২-৩ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন।
- আলু সিদ্ধ করে গ্রেটার দিয়ে গ্রেট করে নিন।
- এবার সাবুদানার পানি ঝরিয়ে আলুর সাথে মেশান।
- তেল ছাড়া সব উপকরণ দিয়ে ভাল করে মেশান।
- মেশান হলে ছোট ছোট বল মত বানিয়ে একটু চেপে দিন। এভাবে সব চপ বানান।
- পাত্রে তেল গরম করুন। তেল গরম হলে ৩-৪ টা চপ তেলে ছেড়ে উভয় পাশ হালকা বাদামী করে ভেজে তুলুন (ভাজার সময় তাড়াহুড়া করবেন না, তাহলে ভিতরে কাঁচা থেকে যাবে।)
- ভাজা হয়ে গেলে কিচেন টিস্যুতে তুলে নিন। এভাবে বাকি চপগুলো ভেজে নিন।
- গরম গরম চাটনি বা সস দিয়ে পরিবেশন করুন।
কিমা-পুরি
উপকরণ:
পুরের জন্য:
পুরের জন্য:
- যে কোনো মাংসের কিমা (মুরগির /গরুর/ খাসির) - ১/২ কাপ
- পেয়াঁজ কুচি - ১/৪ কাপ
- কাঁচা মরিচ কুচি - ১ টেবিল চামচ অথবা স্বাদ অনুযায়ী
- হলুদের গুঁড়া -১/২ চা চামচ
- জিরার গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
- গরম মসলার গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
- আদা বাটা -১/২ চা চামচ
- রসুন বাটা - ১/২ চা চামচ
- ধনিয়া পাতা কুচি - ২ চা চামচ
- তেল - ১ টেবিল চামচ
- লবন - ১/২ চা চামচ অথবা স্বাদ অনুযায়ী
- ময়দা - ১ কাপ
- তেল/ ঘি - ২ টেবিল চামচ
- লবন - ১/৪ চা চামচ
- কুসুম গরম পানি - পরিমানমত (খামির মাখানোর জন্য )
- তেল - ডুবো তেলে ভাজার জন্য
- একটি পাত্রে তেল গরম করে পেয়াঁজ কুচি দিয়ে নরম না হওয়া পর্যন্ত নাড়ুন। তারপর আদা বাটা, রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়া, জিরার গুঁড়া, লবন, কাঁচা মরিচ কুচি দিয়ে কযেক সেকেন্ড নাড়ুন। মসলা থেকে তেল আলাদা হলে মাংসের কিমা দিযে নাড়ুন এবং সামান্য পানি দিয়ে পাত্রটি ঢেকে দিন। কিমা সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর পত্রের ঢাকনা খুলে দিয়ে কিমার অতিরিক্ত পানি শুকিয়ে ফেলুন।
- কিমা তৈরী হয়ে গেলে একটি পেপার টাওয়েলে ঢেলে নিন। এটা কিমার অতিরিক্ত তেল শুষে নিতে সাহায্য করবে। এবার কিমাটা ঠান্ডা হওয়ার জন্য রাখুন।
- এখন খামির তৈরী করার জন্য একটি পাত্রে ময়দা, লবন এবং তেল নিয়ে ভালভাবে মিশান যেন তেল ময়দাটা খাস্তা হয়। তারপর আস্তে আস্তে কুসুম গরম পানি দিয়ে ময়দা মাখান। খামির খুব ভালভাবে নরম হওয়া পর্যন্ত মাখাতে হবে।
- এবার খামিরটা কে ছোট ছোট বল আকারে ভাগ করে নিন। একটি বল নিয়ে গোল বাটির মত বানিয়ে তাতে কিমার পুর দিন এবং বাটির মুখ এমনভাবে বন্ধ করুন যেন কিমার পুর বলের ভিতর থাকে। এভাবে সব বলগুলো কিমার পুর দিয়ে তৈরী করুন। (নিচের ছবি দেখে ধাপগুলো বুঝতে পারেন।)
- একটি পুর ভরা বল নিয়ে কোনো সমান জায়গা বা রুটি বেলার পিঁড়িতে রাখুন। তারপর হাতের একপাশের তালু দিয়ে আস্তে আস্তে সবপাশে সমানভাবে চাপ দিয়ে ছোট রুটির মত বানান। পুরি ১ সে.মি. মত পুরু হবে। এভাবে বাকি পুরিগুলো তৈরী করুন।
- এবার একটি পাত্রে তেল গরম করুন। তেল ভালভাবে গরম হলে সতর্কতার সাথে একটি পুরি তেলে ছাড়ুন এবং আস্তে আস্তে ঘুরাতে থাকুন যেন পুরি ফুলে উঠে। পুরি ফুলে উঠলে আস্থে করে উল্টিয়ে দিন এবং উভয পাশ হালকা বাদামী করে ভেজে নিন। ভাজা হয়ে গেলে একটি পেপার টাওয়েলে উঠিয়ে নিন। এভাবে বাকি পুরি গুলো ভেজে তুলুন।
- সব পুরি ভাজা হয়ে গেলে গরম গরম কেচাপ অথবা চাটনি দিয়ে পরিবেশন করুন।








