পাটিসাপটা পিঠা
উপকরনঃ
ক্ষীরের জন্যঃ
পদ্ধতিঃ
ক্ষীরের জন্যঃ
- দুধ - ২ লিটার
- চিনি - ১ কাপ অথবা আপনার ইচ্ছা অনুযায়ী
- কোড়ানো নারকেল - ১ কাপ (আপনি যদি শুধু মাত্র দুধের ক্ষীর চান তাহলে নারকেল দিবেন না)
- তেল - ২ টেবিল চামচের মতো
- লবন - ১/৪ চা চামচ
- চালের গুড়া - ১ কাপ
- চিনি - ১/৪ কাপ
- দুধ ২ কাপের মতো ( গরম )
- ময়দা - ২ টেবিল চামচ
- ডিম - ২টি ( বিট করা )
পদ্ধতিঃ
- একটি ভারী প্যানে দুধ ফুটিয়ে নিন। যখন দুধ ফুটে উঠবে চুলার তাপ মাঝারি করে দিন এবং দুধ অর্ধেক না হওয়া পর্যন্ত এটি ফোটান। দুধে চিনি দিন এবং মাঝে মাঝে তা নাড়ুন, নাহলে প্যানের নিচে দুধ পুড়ে যাবে ।
- দুধ কমে ১/২ লিটার মত ( ২ কাপ ) হয়ে গেলে কোড়ানো নারকেল দিয়ে দিন এবং নেড়ে দিন। ক্ষীর ঘন হয়ে নরম মসৃন বাদামি মিশ্রন হবে। এবার মিশ্রণটি প্যান থেকে নিয়ে এক পাশে রাখুন ।
- একটি বাটিতে চালের গুঁড়া, ময়দা, লবণ এবং চিনি নিয়ে ভাল ভাবে মেশান । তারপর ধীরে ধীরে ময়দায় গরম দুধ যোগ করুন, একটি হ্যান্ড বীটার দিয়ে বীট করুন। এবার এতে বীট করা ডিম যোগ করে মসৃন হয়ে আসা পর্যন্ত আবার বীট করুন। লক্ষ্য রাখবেন ব্যাটারে যেন কোন দানা না থাকে। এটি ২৫-৩০ মিনিট রেখে দিন ।
- এখন একটি প্যান নিন এবং এতে খুব হাল্কা করে তেল ব্রাশ করে গরম করুন। (আপনি চাইলে ব্রাশের পরিবর্তে কিচেন টিস্যু বা পাতলা সুতি কাপড় ব্যবহার করতে পারেন)
- যখন প্যানটি ভাল করে গরম হবে তখন একটি বড় গোল চামচ দিয়ে এক চামচমত ব্যাটার প্যানের মাঝ বরাবর ঢেলে দিয়ে প্যানটি সাবধানে ঘোরান যেন একটি গোল পাতলা রুটির মতো স্তর তৈরি হয়। তাপ কমিয়ে দিয়ে অপেক্ষা করুন। যখন রুটিটি প্যানের পাশ থেকে আলদা হয়ে আসবে তখন তা প্যান থেকে তুলে নিয়ে একটি প্লেটের উপর নিন। এবার এর এক প্রান্তে একটি লাইনের মতো করে পরিমান মতো ক্ষীর দিন। এরপর ক্ষীর দেয়া প্রান্তটা থেকে রুটিটি ভাঁজ করে রোলারের মতো ঘুরিয়ে অন্য প্রান্তে নিয়ে রোল তৈরি করুন।
- একই ভাবে বাকি পিঠাগুলো তৈরি করুন। সব পিঠা তৈরি হয়ে গেলে পরিবেশন করুন।
ডিম মটরশুঁটির তরকারি
উপকরণ :
|
- প্যান এ তেল গরম হয়ে এলে এলাচ ,তেজপাতা ,দারচিনি, কুচানো পেয়াজ দিয়ে নাড়তে থাকুন পেয়াজ নরম না হওয়া পর্যন্ত।
- সব গুড়া ও বাটা মসলা ও লবন দিয়ে ১ মিনিট নেড়ে মটরশুটি ও টমেটো দিয়ে নেড়ে ১/২ কাপ পানি দিয়ে ঢেকে দিন।
- পানি একদম কমে এলে কুচি করা ডিম দিয়ে মশলার সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে দিন এবং অল্প আঁচে আনুমানিক ৩-৪ মিনিট এর মত রান্না করে চুলা বন্ধ করে দিন।
- ডিম মটরশুটির তরকারি সাদা ভাত, রুটি বা পরোটার সাথে পরিবেশন করুন।
কাঁচা আমের শরবত
উপকরণ :
- কাঁচা আম - বড় ১ টি
- চিনি - ৫-৬ টেবিল চামচ
- গোল মরিচের গুড়া - ১/২ চা চামচ
- বীট লবন -১/২ চা চামচ
- কাঁচা মরিচ - ২ টি
- লবন -১/২ চা চামচ
- পানি - আনুমানিক ২ ও ১/২ কাপ
পদ্ধতি :
- আমের খোসা ছিলে ধুয়ে ৬-৮ টুকরা করে কেটে আমের আটি ফেলে দিন।
- প্যান এ পানি গরম করে আম সিদ্ধ করে ব্লেন্ডার এ দিয়ে সব উপকরণ মিশিয়ে একসাথে ব্লেন্ড করুন।
- বরফ দিয়ে পরিবেশন করুন।
চিকেন ফ্রাই
উপকরণ :
পদ্ধতি :
- মুরগি -ছোট আকারের ১ টি
- লেবুর রস - ২ টেবিল চামচ
- আদা বাটা -১চা চামচ
- রসুন বাটা - ১চা চামচ
- জিরার গুঁড়া- ১ চা চামচ
- ধনিয়া গুঁড়া -১/২ চা চামচ
- গরম মশলা গুঁড়া -১ চা চামচ
- গোল মরিচের গুঁড়া -১ চা চামচ
- ডিম - ২ টি (ফেটানো )
- ব্রেড ক্রাম্ব -১ কাপ
- লবন - ১ চা চামচ বা আপনের স্বাদ মত
- তেল -ডুবো তেলে ভাজার জন্য - আনুমানিক ২ কাপ
পদ্ধতি :
- মুরগি ৮ টুকরা করে ধুয়ে নিন। ডিম, ব্রেড ক্রাম্ব ও তেল ছাড়া বাকি সব উপকরণ দিয়ে মুরগি ভালোভাবে মাখিয়ে ২ ঘণ্টা রাখুন।
- ফেটানো ডিমের মধ্যে মাংস ডুবিয়ে ব্রেড ক্রাম্ব দিয়ে মাখিয়ে নিন।
- মাঝারি আঁচে তেল গরম করে মুরগির টুকরাগুলা তেলের মধ্যে দিয়ে অল্প আঁচে গাড় বাদামী না হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।
- প্যান থেকে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।
চিচিঙ্গা ভাজি
উপকরনঃ
- চিচিঙ্গা - ২টি
- ডিম- ২টি (ফেটানো)
- পেঁয়াজকুচি - মাঝারি ১টি
- কাঁচা মরিচকুচি - ৫-৬টি
- হলুদ গুঁড়া - ১/৪ চা চামচ
- লবন - ৩/৪ চা চামচ অথবা আপনার স্বাদ অনুযায়ী
- চিচিঙ্গা ধুয়ে ছুরি দিয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন, তারপর দুইভাগ করে বিচি ফেলে দিন এবং পাতলা করে টুকরা করে নিন।
- একটি প্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজকুচি দিয়ে নরম হয়ে আসা পর্যন্ত নাড়ুন । এবার পেঁয়াজের সাথে ডিম ছাড়া চিচিঙ্গা সহ বাকি সব উপকরণ দিয়ে দিন এবং নেড়ে ভালো ভাবে সব উপকরন মিশিয়ে নিন। এবার প্যানে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন এবং মাঝারি তাপে চিচিঙ্গা নরম হয়ে আসা পর্যন্ত রান্না করুন।
- এরপর ফেটানো ডিম দিয়ে ২-৩ মিনিট নাড়ুন এবং প্যান চুলা থেকে নামিয়ে নিন। চিচিঙ্গা ভাজি সাদা ভাত বা রুটি দিয়ে পরিবেশন করুন।
আম ডাল
উপকরনঃ
- মসুর ডাল - ১ কাপ
- কাঁচা আম - ১ টা মাঝারি আকারের (ছিলে স্লাইস করে নিন )
- পেঁয়াজকুচি - ১ টি ছোট আকারের
- রসুনকুচি - ৬-৭ টুকরা
- কাঁচামরিচ - ৬-৭ টা (মাঝখানে চিরে নিন)
- আস্ত জিরা - ১/২ চা চামচ
- তেল - ৪ টেবিল চামচ
- লবণ - ৩/৪ চা চামচ বা স্বাদমত
- ডাল ভাল করে ধুয়ে সসপ্যানে ২ কাপ পানি দিয়ে ফুটাতে দিন। তাতে লবণ, কাঁচা মরিচ, হলুদ গুঁড়া দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ডাল সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। সিদ্ধ হয়ে গেলে বিটার দিয়ে ডাল ভাল করে ঘুটে নিন। এবার ২ কাপ পানি ও আমের স্লাইসগুলো দিয়ে ডাল আবার সিদ্ধ করুন।
- একটি প্যানে তেল গরম করে আস্ত জিরাগুলো দিয়ে দিন এবং কয়েক সেকেন্ড ভাজুন। তারপর রসুনকুচি ও পেঁয়াজকুচি দিয়ে হাল্কা বাদামী হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।
- ভাজা হয়ে গেলে সিদ্ধ ডাল থেকে ১ টেবিল চামচ মত নিয়ে তেলে দিন এবং নেড়ে দিন। তারপর তা বাকি ডালের মধ্যে ঢেলে দিয়ে ২-৩ মিনিট মত সিদ্ধ করে চুলা বন্ধ করে দিন।
মুগ ডালে মুরগি
উপকরণ :
- মুরগি - ১/২ কেজি
- মুগ ডাল - ১/২ কাপ
- পেঁয়াজ - ১টি মাঝারি (কুচি করা )
- লাল মরিচের গুঁড়া -১/২ চা চামচ
- হলুদের গুঁড়া -১/২ চা চামচ
- জিরার গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
- গরম মসলার গুঁড়া -১/২ চা চামচ
- আদা বাটা - ১ চা চামচ
- রসুন বাটা - ১ চা চামচ
- তেল -৩ টেবিল চামচ
- লবণ -১চা চামচ বা আপনার স্বাদ মত
পদ্ধতি :
- প্যান এ মুগ ডাল ১ মিনিট নেড়ে ৩০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর ডাল ধুয়ে নিন।
- মুরগির মাংসের টুকরাগুলো ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। .
- একটি প্যান এ তেলগরম করে তাতে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে পেঁয়াজ নরম না হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। তারপর তাতে সব গুঁড়া মসলা ও বাটা মসলা দিয়ে মাঝারি আঁচে ১ মিনিট কষিয়ে নিন ।
- ডাল দিয়ে ১ মিনিট এর মত নেড়ে তাতে মাংস দিয়ে কষাতে থাকুন তেল উপরে ভেসে না উঠা পর্যন্ত।
- তারপর তাতে ৩ কাপ পানি দিয়ে ঢেকে দিন ও মাঝারি আঁচে রান্না করুন। ডাল ও মাংস সিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। আপনার পছন্দ মত ঝোল ঘন হলে নামিয়ে ফেলুন।
- সাদা ভাত বা রুটির সাথে পরিবেশন করুন।
কাঁচা আমের আচার
উপকরণ :
|
- আম ভালোভাবে ধুয়ে কিচেন টাওআল দিয়ে মুছে নিন যেন আমের গায়ে পানি না থাকে।তারপর আমগুলা খোসা সহ ছোট কিউব করে কাটুন।
- প্যান এ মাঝারি আঁচে তেল গরম করে তাতে রসুন কুচি দিয়ে ৩০ সেকেন্ড নাড়ুন। তারপর আমের টুকরাগুলো দিয়ে কিছু সময় নাড়ুন। তারপর সব উপকরণ একের পর এক দিয়ে আমের সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়ে ঢেকে দিয়ে ১৫ মিনিট বা আম সিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।
- . তারপর চুলা থেকে নামিয়ে আচার ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।
- আপনি এটি কাচের বোয়ামে সংরক্ষণ করতে পারেন ।(সংরক্ষণ করার আগে অবশ্যই আচার ঠাণ্ডা করে নিতে হবে )
কাঁচাকলার কাবাব
উপকরনঃ
কাবাবের জন্যঃ
- কাঁচা কলা - ২টি
- আলু - মাঝারি আকারের ১টি
- পেঁয়াজকুচি - মাঝারি আকারের ১টি
- কাঁচা মরিচকুচি - ৪-৫টি
- জিরা গুঁড়া - ১/৪ চা চামচ
- ধনে গুঁড়া - ১/৪ চা চামচ
- ধনিয়া পাতাকুচি - ২ টেবিল চামচ
- তেল - ১ কাপের মতো (ভাজার জন্য তেল)
- লবন - ১/২ চা চামচ অথবা স্বাদ অনুযায়ী
পুরের জন্যঃ
- ডিম - ১টি
- কাঁচা মরিচকুচি - ২টি
- পেঁয়াজকুচি - ১ টেবিল চামচ
- তেল - ১ টেবিল চামচ
পদ্ধতিঃ
- একটি প্যানে ১ টেবিল চামচ তেল মাঝারি তাপে গরম করে তাতে পেঁয়াজকুচি ও কাঁচা মরিচকুচি দিন এবং নরম হয়ে আসা পর্যন্ত ভাজুন।
- এরপর তাতে ডিম দিয়ে নাড়ুন যেন তা ভালো ভাবে পেঁয়াজ আর কাঁচা মরিচের সাথে মিশে যায়। ডিম ঝুরি হয়ে আসলে নামিয়ে এক পাশে রাখুন।
- কাঁচা কলা এবং আলু নরম না হয়ে আসা পর্যন্ত ভালো ভাবে সেদ্ধ করুন।
- খোসা ছাড়িয়ে কাঁচা কলা এবং আলু ভর্তা করে নিন। এতে কাবাবের সব উপাদান দিয়ে ভালো ভাবে মেশান।
- এবার মিশ্রণটি ৭/৮ অংশে ভাগ করুন। একটি অংশ হাতে নিয়ে চাপ দিয়ে বাটির মতো করুন এবং মাঝখানে পুর দিন। পুরের উপরের অংশ ঢেকে কোনা গুলো আঙ্গুল দিয়ে চাপ দিয়ে বন্ধ করে দিন।
- একই ভাবে বাকি কাবাবগুলো তৈরি করে ফেলুন।
- প্যানে তেল গরম করে কাবাব সোনালী বাদামি করে ভেজে তুলুন।
- ভাজা হয়ে গেলে গরম গরম কেচাপ বা সস দিয়ে পরিবেশন করুন।










