বেগুনের টক ভাজি

উপকরনঃ
  • বেগুন - ২০০ গ্রাম
  • অ্যাপেল চাইডার ভিনেগার/ সাদা ভিনেগার - ২ চা চামচ
  • সয়া সস -  ২ চা চামচ
  • ব্রাউন সুগার - ২ চা চামচ (চাইলে চিনিও ব্যবহার করতে পারেন)
  • আস্ত লাল মরিচ - ৪ টা
  • পেঁয়াজকুচি - ১/৪ কাপ
  • রসুনকুচি - ১ টেবিল চামচ
  • গোলমরিচ গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
  • লবন - ১/ চা চামচ অথবা স্বাদমত
  • তেল - ৫ টেবিল চামচ
পদ্ধতিঃ
  • বেগুন ভাল করে ধুয়ে কিউব করে কেটে নিন। একটি বাটিতে ভিনেগার, সয়া সস, গোলমরিচ ও লবন মিশিয়ে একপাশে রাখুন।
  • একটি প্যানে ৩ টেবিল চামচ তেল গরম করে তাতে বেগুনের টুকরাগুলো দিন এবং হাল্কা নরম করে ভেজে পাত্রে তুলে রাখুন।
  • এবার প্যানে বাকি তেল দিন। তেল গরম হলে আস্ত লাল মরিচগুলো (ঝাল করতে চাইলে মরিচ ভেঙ্গে টুকরা করে দিতে পারেন)দিয়ে ৫ সেকেন্ড মত ভাজুন। তারপর পেঁয়াজকুচি ও রসুনকুচি দিয়ে নরম হয়ে উঠা পর্যন্ত ভাজুন। 
  • পেঁয়াজ ভাজা হলে বেগুনগুলো দিন এবং ভিনেগারের মিশ্রনটা দিয়ে ভাল করে মিশান। এবার ঢেকে দিয়ে ৮-১০ মিনিট কম আঁচে রান্না করুন।
  • বেগুন নরম হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে নিন। পোলাউ, খিচুড়ি অথবা বিরিয়ানির সাথে পরিবেশন করুন ভিন্ন স্বাদের বেগুন ভাজি।  
ধন্যবাদান্তেঃ 
ইশিতা রহমান
(Columbia, SC, USA) 
 

      বেগুন ভর্তা

      উপকরণঃ
      • আস্ত বেগুন - ১ টা (৪০০ গ্রাম)
      • সরিষার তেল - ১ টেবিল চামচ
      • পেঁয়াজ কুচি - ১/৪ কাপ
      • কাঁচামরিচ - ৪-৫ টা (কুচি করে দিতে পারেন অথবা হাল্কা করে টেলে নিয়ে ভর্তা করে দিতে পারেন)
      • ধনিয়াপাতা কুচি- ২ টেবিল চামচ (ইচ্ছা)
      • লবণ- ১ চা চামচ অথবা পছন্দমত
      পদ্ধতিঃ
      • বেগুন নরম হওয়া পর্যন্ত পুড়িয়ে নিন। বিভিন্ন উপায়ে বেগুন পুড়াতে পারেনঃ
        • সবচেয়ে ভাল উপায় হচ্ছে চুলার উপর আগুনে পুড়ানো। বেগুনটা ধুয়ে আগুনের উপর দিয়ে ভাল করে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে চারপাশে পুড়িয়ে নিন। 
        • ওভেনের ব্রয়লারে দিয়েও বেগুন পুড়াতে পারেন। এজন্য প্রথমে বেগুনের গায়ে ভাল করে তেল ব্রাশ করে নিন। তারপর ফয়েল দিয়ে মুড়িয়ে ৪০-৫০ মিনিট বা নরম হওয়া পর্যন্ত ব্রয়ল করুন।
        • আপনি চাইলে বেক করেও বেগুন পুড়াতে পারেন। প্রথমে কাঁটাচামচ দিয়ে বেগুনের গায়ে ভাল করে কেঁচে দিন। তারপর প্রিহিট ওভেনে ৪০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটে নরম হওয়া পর্যন্ত বেক করুন।
      • এই রেসিপির জন্য আমরা বেগুন ব্রয়লারে দিয়ে পুড়িয়েছি। (নিচের ছবিতে পুরো প্রণালী দেখুন।)
      • বেগুন পুড়া হয়ে গেলে ওভেন বন্ধ করে বেগুনটা ঠান্ডা হতে দিন। তারপর মাংসল অংশ থেকে চামড়া আস্তে আস্তে  ছাড়িয়ে নিয়ে ভাল করে ভর্তা করে নিন।
      • তারপর পেঁয়াজকুচি, মরিচকুচি, লবন ও ধনিয়াপাতাকুচি ভাল করে মিশিয়ে নিয়ে গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।

      বাস্‌বুসা

      উপকরনঃ
      কেকের জন্যঃ
      • সুজি- ২ কাপ
      • চিনি - ১/২ কাপ অথবা স্বাদমত
      • বেকিং পাউডার- ২ চা চামচ
      • কোরানো নারিকেল- ১ কাপ
      • ডিম- ২ টা
      • দুধ/ টক দই - ১ কাপ
      • জয়ফল গুঁড়া - ১/৪ চা চামচ
      • এলাচ গুঁড়া - ১/৪ চা চামচ
      • ঘি/ বাটার - ৩/৪ কাপ
      • কাজু বাদাম (আস্ত বা দুইভাগ করা)-১৪/১৫ টা
      • ঘি/ বাটার /তেল- ১/২ টেবিল চামচ
        (প্যান ব্রাশ করার জন্য)
      চিনির সিরার জন্যঃ
      • চিনি- ২ কাপ
      • পানি - ২ কাপ
      • লেবুর রস- ১/৪ চা চামচ
      • মধু - ১ চা চামচ (ইচ্ছা)







      পদ্ধতিঃ
      • বাটিতে বাটার/ঘি গলিয়ে নিন। তাতে দুধ/ টক দই ও চিনি দিয়ে ভালকরে মিশান। অন্য একটি বাটিতে ডিম ফেটিয়ে নিয়ে দুধের মিশ্রনে মিশিয়ে নিন।
      • সুজি, বেকিং পাউডার, জয়ফল গুঁড়া, এলাচ গুঁড়া অন্য একটি শুকনা বাটিতে নিয়ে ভালকরে মিশান যেন বেকিং পাউডার সব জায়গায় মিশে যায়।
      • এবার সুজির মিশ্রনটি ডিম-দুধের মিশ্রনের সাথে ভালকরে মিশিয়ে নিন যেন দলা হয়ে না থাকে।
      • বেকিং ট্রেতে ঘি/ তেল ব্রাশ করে মিশ্রনটি ঢেলে দিন এবং চামচ দিয়ে উপরটা সমান করে দিন। এবার ট্রেটি ফ্রিজে ১-২ ঘন্টা রেখে দিন।
      • এই সময়ের মাঝে পাত্রে চিনি, পানি ও লেবুর রস দিয়ে সিরা ফুটাতে দিন। ফুটে উঠলে মধু দিয়ে মাঝারি আঁচে প্রায় ১০ মিনিট মত সিদ্ধ করুন। তারপর চুলা বন্ধ করে সিরা ঠান্ডা হতে দিন।
      • ট্রে ফ্রিজ থেকে বের করে পছন্দমত আকারে কেটে দিন এবং প্রতিটি টুকরার উপর বাদাম বসিয়ে নিন।
      • ওভেন ৩৫০° ফা/১৯০°সে এ প্রিহিট করে ট্রেটি ওভনে দিয়ে দিন এবং ৪০ মিনিট মত বেক করুন। ২৫-৩০ মিনিট পর থেকে কেকটি চেক করুন যেন পুড়ে না যায়।
      • কেক হয়ে গেলে ওভেন থেকে বের করে সাবধানে চিনি সিরা কেকের উপর ঢেলে দিন এবং আবার ওভেনে দিয়ে আরও ১৫ মিনিট বেক করুন।
      • আগের কেটে দেওয়া আকারে আবার কেটে দিন এবং ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন বাস্‌বুসা।

      দুধ পুলি


      উপকরণ:
      • নারিকেল (কোরানো) -১ কাপ + ২ টেবিল চামচ
      • গুড় - ১ কাপ+ ১/৪ কাপ (টিপস
      • দুধ - ১ লিটার
      • এলমন্ড (ছোট করে কাটা) - ২-৩ টেবিল চামচ (ইচ্ছা)  
      • চালের গুড়া - ১ কাপ (চাইলে ময়দা ব্যবহার করতে পারেন)
      • পানি- ১ কাপ
      • এলাচ গুড়া - ১/২  চা চামচ (ইচ্ছা)
      • লবন - ১/২  চা চামচ
      প্রনালী:
      • একটি মাঝারি পাত্রে দুধ ফুটিয়ে ঠান্ডা হতে রাখুন।
      • অন্য একটি পাত্রে নারিকেল ও ১/৪ কাপ গুড় নিয়ে মাঝারি আঁচে চুলায় দিন। নারিকেল ও গুড়ের মিশ্রনটি ভালভাবে মিশে শুকনা হয়ে উঠা পর্যন্ত আস্তে আস্তে নাড়তে থাকুন।
      • পিঠার খামি করার জন্য অন্য একটি পাত্রে ১ কাপ পানি ও লবন দিয়ে ফুটাতে দিন (ভারি তলাযুক্ত পাত্র হলে ভাল হয়।) পানি ফুটে উটলে আস্তে আস্তে চালের গুড়া দিয়ে নাড়তে থাকুন। চালের গুড়া ও পানি মিশে খামি হয়ে উঠা পর্যন্ত নাড়তে থাকুন। এবার খামিটি প্লেটে নিয়ে ভালভাবে মাখুন যেন নরম, মসৃণ হয়ে উঠে এবং আঠালো না থাকে।
      • এবার মাখানো খামি থেকে ৩২-৩৫ টা ছোট বল বানিয়ে নিন। একটি বল নিয়ে ছোট রুটি বেলুন। এবার রুটির মাঝে অল্প নারিকেল-গুড়ের মিশ্রন দিয়ে অর্ধচন্দ্রাকারে পুলি পিঠার মুখ ভাল করে আটকিয়ে দিন। (ছবিতে দেখুন) এভাবে অন্য বলগুলো দিয়ে পুলি পিঠা বানিয়ে রাখুন।
      • এখন ১ কাপ গুড় ও ২ টেবিল চামচ নারিকেল ঠান্ডা করে রাখা দুধের সাথে মিশিয়ে আবার মাঝারি আঁচে ৫ মিনিট মত ফুটাতে দিন (টিপস)। ইচ্ছা হলে একটু এলাচের গুড়া দিন। 
      • দুধ ফুটে উঠলে আস্তে আস্তে পুলি পিঠাগুলো দুধের মাঝে দিয়ে দিন। তারপর পাত্রটি ঢাকনা দিয়ে আরও ১০ মিনিট মত সিদ্ধ করুন। মাঝে মাঝে দুধ নেড়ে দিন যেন নিচে পুড়ে না যায়। চুলার আঁচ একদম কম করে আরও ৫ মিনিট মত পিঠাগুলো চুলায় রাখুন।
      • এবার ঠান্ডা করে পাত্রে ঢেলে পরিবেশন করুন মজাদার দুধপুলি।
      টিপস:
      ***গুড়ে পরিবর্তে চিনিও ব্যবহার করা যায়।
      ***গরম দুধের মাঝে গুড় দিলে দুধ ছানা কেটে যেতে পারে। তাই দুধ ঠান্ডা করে গুড় মিশান।

      সুজির হালুয়া


      উপকরণ:
      • সুজি- ১ কাপ
      • চিনি- ১ ও ১/৪ কাপ
      • পানি- 2 ও ১/২ কাপ
      • লবন- ১/৪ চা চামচ
      • ঘি/ বাটার- ৬ টেবিল চামচ
      • তেজপাতা- ১ টা
      • এলাচ- ২ টা
      • লবঙ্গ- ২ টা
      • দারচিনি- ১ টা
      • বাদামকুচি (সাজানোর জন্য)- ১ টেবিল চামচ(ইচ্ছা)
      পদ্ধতি:
      • একটি পাত্রে চিনি, পানি, লবন, তেজপাতা, এলাচ, দারচিনি এবং লবঙ্গ নিয়ে মাঝারি আঁচে চুলায় দিন। চিনির সিরা ফুটে উটলে আঁচ কমিয়ে ৪-৫ মিনিট সিদ্ধ করুন।
      • অন্য একটি পাত্রে সুজি নিয়ে মাঝারি আঁচে বাদামি করে ভাজুন (সুজি ভাজা হলে একটা সুন্দর ঘ্রাণ বের হবে)
      • এবার ঘি দিয়ে সুজি আরো ৪-৫ মিনিট ভাজুন। তারপর সাবধানে চিনির সিরা সুজির উপর ঢেলে দিন এবং নাড়তে থাকুন। আরও ৪-৫ মিনিট অপেক্ষা করুন পানি কমে সুজি সিদ্ধ হওয়ার জন্য।(হালুয়া অতিরিক্ত শুকনা করবেন না। হালুয়া থেকে পানি কমে ফুটতে শুরু করলে চুলা বন্ধ করে দিন।)
      • একটি ২ বা ৩ ইঞ্ছি গভীর পাত্রে হালুয়া ঢেলে নিন। পাত্রটি হাল্কা ঝাঁকি দিয়ে হালুয়ার উপরটা সমান করুন। এবার বাদামকুচিগুলো উপরে ছড়িয়ে দিয়ে ঠান্ডা হতে রাখুন। (টিপস)
      • হালুয়া ঠান্ডা হলে লুচি, পরটা অথবা ডেসার্ট হিসেবে পরিবেশন করুন।
      টিপস:
      হালুয়া বিভিন্ন আকারে কেটে পরিবেশন করতে চাইলে হালুয়াসহ পাত্রটি ফ্রিজে ২০-২৫ মিনিট রেখে দিন। তারপর ছুরি দিয়ে আপনার পছন্দমত আকারে কেটে পরিবেশন করুন।




      কাঁচাগোল্লা

      উপকরনঃ
      • দুধ- ১ লিটার
      • ভিনেগার- ৪ টেবিল চামচ
      • পানি- ৪ টেবিল চামচ
      • চিনি- ৪ টেবিল চামচ অথবা আপনার স্বাদ অনুযায়ী
      • মাওয়া - ১ কাপ
      • ঘি/ বাটার- দেড় টেবিল চামচ
      পদ্ধতিঃ
      • লিঙ্ক টিতে ক্লিক করে ছানা বানানোর প্রক্রিয়াটি দেখে নিন।.Making Curd/Chaana(ছানা).
      • ছানা খুব বেশি সময় ঝুলিয়ে রাখার প্রয়োজন নেই। ঠাণ্ডা পানির নিচে ছানা ধুয়ে ভাল করে চাপ দিয়ে পানি ঝরিয়ে নিয়ে একটি বাটিতে নিন। 
      • ছানাটি হাত দিয়ে হালকা মেখে নিন।এরপর ছানার মধ্যে চিনি এবং ৩/৪ কাপ মাওয়া দিয়ে মেখে নিন।( মাওয়া যদি বার হয় তাহলে গ্রেট করে নিন) 
      • এখন প্যানে ঘি গরম করুন। ঘিয়ে ছানার মিশ্রণ দিয়ে নাড়তে থাকুন। যখন ঘি ভেসে উঠবে এবং ছানা হালুয়ার মত প্যান থেকে উঠে আসবে তখন নামিয়ে ফেলুন। (১০ মিনিট এর বেশি চুলায় রাখবেন না। চুলার ভিন্নতা অনুযায়ী সময়ের পার্থক্য হতে পারে।) 
      • হাতে সহ্য করার মত ঠাণ্ডা করে নিন। ৭-৮ টি সমান সাইজের বল তৈরি করুন।
      • অবশিষ্ট মাওয়া একটি প্লেটে রাখুন। ছানার বল দুই হাতের সাহায্যে গোলাকৃতি করে মাওয়ায় গড়িয়ে নিন।
      • তৈরি হয়ে গেল মজাদার কাঁচাগোল্লা। 
      ধন্যবাদান্তে:  
      নুসরাত সাদিয়া

      (মন্ট্রিয়াল ,কানাডা )

        কাটা মশলায় গরুর মাংস

        উপকরণঃ
        • গরুর মাংস- ২ পাউন্ড 
        • পেঁয়াজ কুঁচি- ২ টি মাঝারি
        • আলু- ৩ টি মাঝারি (৪ টুকরা করুন এবং হালকা ভেজে নিন) 
        • শুকনা মরিচ- ৮-৯ টি অথবা আপনার স্বাদ অনুযায়ী (মাঝখান থেকে চিরে দিন) 
        • আদা কুঁচি- ২ টেবিল চামচ
        • রসুন কুঁচি - ২ টেবিল চামচ
        • আস্ত জিরা- ১ টেবিল চামচ
        • এলাচ - ৬-৭ টি 
        • দারুচিনি - ৩-৪ টি
        • তেজপাতা-৩ টি
        • টক দই- ১/২ কাপ (না হলেও চলবে)
        • তেল- আনুমানিক ১/২ কাপ
        • লবন- দেড় চা চামচ অথবা আপনার স্বাদ অনুযায়ী
        পদ্ধতিঃ 
        • মাংস কেটে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। আদা,রসুন,টক দই এবং লবন মাংসে মাখিয়ে ১ ঘণ্টা রেখে দিন।
        • পাত্রে তেল গরম করে এলাচ, দারুচিনি এবং তেজপাতা দিয়ে একটুখানি নাড়ুন। এরপর পেঁয়াজ কুঁচি এবং মরিচ দিয়ে হালকা বাদামি হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।
        • এরপর মাংস দিয়ে ভাল করে নেড়ে ঢেকে দিন। মাংস থেকে যে পানি বের হবে তা শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। এবার আলু দিয়ে ভাল করে কষিয়ে নিন।
        • ৪ কাপ এর মত পানি দিয়ে ঢেকে দিন। মাংস সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।

        বেসন মুরগী

        উপকরনঃ
        • মুরগী - ২ পাউন্ড 
        • বেসন - ১/২ কাপ 
        • টক দই - ৪ টেবিল চামচ
        • লাল মরিচের গুঁড়া - ১/২ চা চামচ + ১/২ চা চামচ
        • হলুদ গুঁড়া - ১/৪ চা চামচ
        • জিরার গুঁড়া- ১ চা চামচ
        • গরম মশলার গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
        • আদা বাটা- ১/২ চা চামচ + ১/২ চা চামচ
        • রসুন বাটা- ১/২ চা চামচ + ১/২ চা চামচ
        • তেল - ৪ টেবিল চামচ + ডুবো তেলে ভাজার জন্য
        • লবন- দেড় চা চামচ অথবা আপনার স্বাদ অনুযায়ী
        পদ্ধতিঃ
        • মুরগী পরিষ্কার করে ধুয়ে, পানি ঝরিয়ে রাখুন।
        • একটি বাটিতে বেসন, টক দই, ১/২ চা চামচ লাল মরিচের গুঁড়া, হলুদের গুঁড়া, ১/২ চা চামচ আদা বাটা, ১/২ চা চামচ রসুন বাটা এবং লবন দিয়ে ভাল করে মেখে নিন। এখন পানি দিয়ে বেসনের গোলা তৈরি করুন। গোলা খুব বেশি ঘন বা খুব বেশি পাতলা হবে না। ৪০ মিনিট এর মত রেখে দিন। 
        • একটি প্যানে ৪ টেবিল চামচ তেল গরম করে হালকা লবন ছিটিয়ে মুরগীর টুকরা গুলো ভেজে তুলুন। এখন ভাজা মুরগীতে তেল বাদে বাকি সব উপকরণ মিশিয়ে ভাল করে মেখে আধা ঘণ্টা রেখে দিন।
        • পাত্রে মাঝারি আঁচে তেল গরম করুন। তেল পর্যাপ্ত গরম হলে একটি একটি মুরগীর টুকরাকে বেসনের গোলায় ডুবিয়ে তেলে ছাড়ুন। অল্প আঁচে সুন্দর বাদামি করে ভেজে তুলুন।
        • পেপার টাওএল এ রেখে অতিরিক্ত তেল শোষণ করিয়ে নিন। 

        ইলিশ পোলাও

        উপকরনঃ
        • ইলিশ মাছ -৬-৭ টুকরো
        • বাসমতি চাল- ২ কাপ
        • পেঁয়াজ কুচি– ১ কাপ
        • পেঁয়াজ বাটা- ১ টেবিল চামচ
        • আদা বাটা- ১ চা চামচ
        • শুকনো/লাল মরিচের গুঁড়া- ১ চা চামচ
        • জিরার গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
        • এলাচ- ৫-৬টি
        • তেজপাতা- ৩ টি
        • দারুচিনি- ৩টুকরা
        • আস্ত কাঁচা মরিচ- ৫-৬ টি
        • মটরশুটি- ১/২ কাপ
        • টক দই- ২ টেবিল চামচ
        • লেবুর রস- ১ টেবিল চামচ
        • তেল- ১/২ কাপ
        • ঘি- ১ টেবিল চামচ
        • লবন- ২ চা চামচ অথবা স্বাধমত
        প্রনালীঃ
        • মাছ কেটে ভাল করে ধুয়ে নিন। মাছে পেঁয়াজ বাটা, লাল মরিচের গুঁড়া, জিরার গুঁড়া, আদা বাটা, টক দই,লেবুর রস আর ১চা-চামচ লবন দিয়ে ভাল করে মেখে ৩০ মিনিট রেখে দিন।
        • এবার চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।
        • একটি গভীর পাত্রে তেল গরম দিন। তেল গরম হয়ে গেলে এলাচ, তেজপাতা আর দারচিনি দিয়ে একটু ভেজে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভাল করে নাড়াচাড়া করুন। পেঁয়াজ হাল্কা বাদামি হয়ে গেলে মাখানো মাছগুলা দিন এবং হাল্কা মাঝারি আঁচে ১০মিনিট রান্না করুন(৫ মিনিট পর সাবধানে মাছ উলটে দিতে পারেন।)।
        • এরপর পাত্র থেকে শুধু মাছের টুকরোগুলো একটি প্লেটে উঠিয়ে নিন। এবার মসলাতে মটরশুঁটি দিয়ে কয়েক সেকেন্ড নাড়াচাড়া করে চাল আর ১ চা চামচ লবন দিন এবং ২-৩মিনিট মত ভাজুন। মাছের মিস্রনটি যে বাটিতে ছিল তাতে ৪ কাপ গরম পানি নিন। এই বাটি ধোয়া পানি চালে মিশিয়ে ঢেকে দিয়ে মাঝারি আঁচে রান্না করুন। ভাত পুরাপুরি হওয়ার আগেই (প্রায় ৯০ভাগ হলে) নামিয়ে নিন।
        • এবার ২/৩ অংশ ভাত আলাদা একটি পাত্রে সরিয়ে নিন। তারপর ভাতের উপর মাছগুলো এক স্স্তরে সাজিয়ে দিন, কাঁচা মরিচ দিন এবং উপরে বাকি ভাতগুলা দিয়ে দিন। উপরে ঘি ছড়িয়ে দিয়ে পাত্রটি ঢেকে দিন এবং অল্প আঁচে ২০ মিনিট মত রাখুন।

        • পরিবেশনের আগে সাবধানে মিশিয়ে নিন এবং পরিবেশন করুন দারুন স্বাদের ইলিশ পোলাও।

        - Copyright © টক ঝাল মিষ্টি - Powered by Blogger - Thanks to Johanes Djogan -